সিলেট, ১৬ জুলাই: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় অটোরিকশায় তুলে এক নারীকে অন্য স্থানে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চালক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলীর বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী সিলেট এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন ওই নারী। অটোরিকশার চালক সাইদুর রহমান (৩০) তাকে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে নিয়ে চালক ও তার সহযোগীরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদা (৪৪), তিনি হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাইদুর রহমান, আশিক মিয়া (৩০) ও আমির আলী (২৮), তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





