সিলেটে ১২১ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ, ১ জিপি ও ১২ পিপি

‘কোর্ট রাগ দেখানোর জায়গা নয়’ : বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের আদালত - Surma Times | Sylhet News

‘কোর্ট রাগ দেখানোর জায়গা নয়’ : বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের আদালত - Surma Times | Sylhet Newsসিলেট, ৬ অক্টোবর: সিলেটের বিভিন্ন আদালতে ১ জন গভমেন্ট প্রসিকিউটার (জিপি), ১২ জন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সহ ১২১ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো: ফারুক হোসাইন সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব আইন কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রদান করা হয়। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে জানানো হয়।

নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ১ জন জিপি, ১২ জন পিপি ও বাকীরা অতিরিক্ত পিপি ও সহকারী পিপি।

এরমধ্যে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারী কৌশলী জিপি হয়েছেন শামীম আহমদ সিদ্দিকী।

এ আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. তানভির আক্তার খাঁন, মো. জাফর ইকবাল তারেক, সৈয়দ খালেদ হোসেন, মো. নুরুল আনাম চৌধুরী, মো. রেজওয়ান আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আবুল ফজল, মোহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহ, মো. রব নেওয়াজ রানা, মো. শামীম আহমদ, মো. মুজাকীর হোসেন কামালি।

সিলেট জেলা জজ আদালতের সহকারি সরকারি কৌসুলি হয়েছেন মাহবুবুর রহমান, মো. মহিদুল হক, মো. ফখরুজ্জামান, হাবিব আহমদ, মো. নাজমুল হুদা, গাজী আহমেদ নকীব মনজুর আহমদ, শেখ পপি, সৈয়দ ফেরদৌস আহমেদ, মফিক উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন, মোঃ তৌফিক এলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, মলয় কান্তি পাল।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হয়েছেন মো আশিক উদ্দিন। এ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মো. আক্তার বঙ্গ, মোঃ এনামুল হক রহমান, আল আসলাম মুমিন, মোহাম্মদ খালেদ আহমদ জোবায়ের, ইকবাল আহমদ, মোঃ মামুন আহমদ (রিয়ন), মোঃ আনহারুজ্জামান, মোঃ ছমির উদ্দিন, মোঃ আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সবুজ, মোঃ লিয়াকত আলী, মোঃ শাহরিয়া-উজ-জামান পলাশ, মোবারক হোসেন, মোঃ শাহজাহান সিদ্দিকী, মোঃ বদরুল আলম (শিপন), মোহাম্মদ মির্জা হোসেন, মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, নূর আহমদ, সৈয়দ মোহাম্মদ তারেক, মোঃ খালেদ হোসেন, মোঃ আতিকুল হক, নুররাত হাসিনা, আমিনুল হক খান, মোঃ মুছলেহ উদ্দিন, নাদিরা আক্তার চৌধুরী, মোঃ মঈনুল হক বুলবুল।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোঃ সোহেল মিয়া, সৈয়দ নূরে আলম (মিলটন), কামাল হোসেন, মোঃ আব্দুল্লাহ হেলাল, জুবায়ের আহমেদ, গোলাম রসুল সুমেল, মোহাম্মদ ওয়ারিছ উদ্দিন চৌধুরী (সেলিম), কাজী সেবা, মোঃ আলী হায়দার, মোহাম্মদ নাজমুল হোসেন, মোঃ আতিকুর রহমান, মোছাঃ শাহানারা বেগম, হেনা বেগম, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, নিজাম উদ্দিন, তাহরীমা রেজা চৌধুরী, আলা উদ্দিন, রহিমা আক্তার মৌরী, হানিফ আহমেদ, মোঃ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ শাহ আলম, রুহুল আমীন, জাবের হোসেন মিয়া, নাসির উদ্দিন সাদিক, মোঃ মামুন হোসেন, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাপ্পী মনি দেব, জুমেল আহমেদ ইব্রাহীম।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম। এ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন জোহরা জেসমিন, মোঃ আব্দুল মুকিত, মির্জা মোহাম্মদ ইয়াকুত হোসেন, এফ এইচ এম সাজেদুল ইসলাম সজিব, নজরুল ইসলাম, মনজুর ইলাহী সামি, আবু ফাহাদ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মোঃ আলী হায়দার ফারুক, আশুর রাজ্জাক খান রাজ, জামীমুল ইসলাম জামী, নজরুল ইসলাম।

মহানগর দায়রা জজ আদালতে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোঃ ফয়জুল আহমদ, মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, মোঃ খোরশেদ আলম, সুদীপ বৈদ্য, সৈয়দা তাহমিনা রহমান, মোছাঃ ছিয়াছিন আক্তার, মোঃ জাহিদুল হক জাবেদ, মোঃ তানভীর আহমেদ, দিলোয়ার হোসেন, যায়েদ হাসান, রোহিনা বেগম, মোঃ কামরুল আমিন, মোঃ আব্দুল হাই, শায়েদ আহমদ, শফিকুর রহমান।

বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন শাহ আশরাফুল ইসলাম আশরাফ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব। এ আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল) হয়েছেন জমিরুল ইসলাম চৌধুরী।

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোহাম্মদ সাঈদ আহমদ, জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোস্তাক আহমদ, মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন আহমদ ওবায়দুর রহমান ফাহমী, সাইবার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন জুবের আহমদ খান, শিশু আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন আরিফা সুলতানা, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোঃ মসরুর চৌধুরী (শওকত) এবং সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন মোঃ কামাল হোসেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, সিলেট জেলার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ও এর অধীন অন্যান্য আদালতসহ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত ও এর অধীন অন্যান্য আদালতসহ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, শিশু আদালত এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ট্রাইব্যুনালে পূর্বে নিয়োগকৃত সকল সরকারী আইনজীবীর নিয়োগাদেশ বাতিলক্রমে তাঁদেরকে স্ব স্ব পদের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির এসব আইনজীবীদেরকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিয়োগ প্রদান করা হলো।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article