তরুণী নিয়ে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া, সালিশে জরিমানার দাবি

তরুণী নিয়ে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া, সালিশে জরিমানার দাবি - Surma Times | Sylhet News

তরুণী নিয়ে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া, সালিশে জরিমানার দাবি - Surma Times | Sylhet Newsনেত্রকোণা, ৫ আগস্ট: ‘হা হা হা এটাই বাস্তব’ কিংবা ‘বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক, তোমার সাথে গল্প করব আমি সারা রাত’ এই সংলাপগুলোর মাধ্যমে হঠাৎই পরিচিতি পাওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে পরকীয়ার অভিযোগে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ঘটনাটি নিয়ে এখন তুমুল আলোচনা চলছে অনলাইনে।

জানা গেছে, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করেন। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সালিশি বৈঠকে। উপজেলার ৮ নং দক্ষিণ বিশিউরা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সালিশের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা সাধারণ মানুষের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাশের গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়ভাবে বসে সালিশ। সেই বৈঠকে উপস্থিত লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দাবি করেন। শুধু তাই নয়, তাকে গ্রাম ছাড়ারও দাবি তোলা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে যেসব তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তার সবটাই আসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। প্রশাসনিক সূত্রে এখনো নিশ্চিত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, রিপন মিয়ার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

২০১৬ সালে ফেসবুকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন রিপন মিয়া। শুরুটা ছিল সাদামাটা। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার সহজ-সরল উপস্থাপনা আর ঘরোয়া ধাঁচের ভিডিওগুলো দর্শকপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। বিশেষ করে তার মুখে বলা ‘হাই আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপ দুটি নেটিজেনদের মধ্যে দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়, যা তাকে এনে দেয় এক ধরনের অনলাইন খ্যাতি।

এখন সেই পরিচিতিই নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রে দাঁড় করিয়েছে তাকে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য না মেলা পর্যন্ত পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হওয়া কঠিন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনা এবং সালিশের ভিডিও ইতিমধ্যে ব্যাপক জনমনোযোগ কেড়েছে, যা আগামী দিনে বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত বা প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article