ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৫ আগস্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিএনজি চালক হোসেন মিয়া হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত এক ব্যক্তিকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯ ও র্যাব-১১-এর যৌথ আভিযানিক দল।
র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বেলাশহর এলাকায় আরএনআর ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে মো. জসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মহিষের কোড এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।
র্যাব জানায়, নিহত হোসেন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার চান্দলা এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিলেন। গত ২৫ মে সকালে তিনি সিএনজি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা কসবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরবর্তীতে ২৮ মে দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, কসবা উপজেলার টি. আলী মোড় সংলগ্ন একটি পুকুরে অর্ধগলিত অবস্থায় একটি মরদেহ পড়ে রয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহটি হোসেন মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।
নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সিএনজি, সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হোসেন মিয়াকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে যায়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কসবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং র্যাব-১১-এর সিপিসি-২, কুমিল্লার যৌথ দল অভিযান চালিয়ে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত মো. জসিমকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





