বগুড়া: বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বেলঘড়িয়া বাজার হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ১১ বছরের এতিম শিশু ছিফাত হোসেনকে পা ওপরের দিকে বেঁধে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটি শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুই মাদ্রাসা শিক্ষক মো. আতিকুল হাসান ও মো. ইসমাইল পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলঘড়িয়া এলাকায় নানার বাড়িতে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত ছিফাত। সম্প্রতি মাদ্রাসা থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। চুরির প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন না করেই শিশুটির ওপর চুরির অপবাদ দেওয়া হয়।
গত রবিবার রাতে মাদ্রাসার ভেতরে তার দুই পা ওপরের দিকে বেঁধে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে পেটানো হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
নির্যাতিত শিশুর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, একজন অবুঝ এতিম শিশুর সঙ্গে এমন পশুর মতো আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মইনুদ্দিন জানান, “বিষয়টি মৌখিকভাবে জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।





