
সুরমা টাইমস ডেস্কঃ দেশকে বিনিয়োগযোগ্য ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বুধবার রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের কর্মশালায় তিনি বলেন, অর্থনীতিতে এমএসএমই যত শক্তিশালী হবে, ততই বাড়বে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবাহ।
মন্ত্রী জানান, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার বড় অংশই এমএসএমই খাত। জাতীয় জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।
তিনি বলেন, আগামী বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি, যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা ডাটাবেজ তৈরির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনটি সূচক পূরণ করলেও টেকসই উত্তরণের জন্য আরও প্রস্তুতি প্রয়োজন। এ কারণে সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে শিল্প উৎপাদন বাড়ানো এবং অকার্যকর রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পগুলো বেসরকারি খাতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
লজিস্টিক ব্যয় কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে জিডিপির ১৬ শতাংশ লজিস্টিক খরচ কমিয়ে বৈশ্বিক মানের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমএসএমই খাতে এই প্রণোদনা বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে।






