সিলেটে অসময়ে মেলায় ব্যবসায়ীদের নিয়ে শুরু থেকে বাস্তব প্রয়োগ পর্যন্ত সবকিছু নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
সিলেট, ২৬ সেপ্টেম্বর: অসময়ে মেলা আয়োজন করা হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এতে তাদের উৎসাহ কমে যেতে পারে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শনিবার সিলেট মহানগরের একটি কনভেনশন হলে মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ব্যবসায়ীদের উচিত নিজেদের মধ্যে বসে কোন কোন খাতে কীভাবে সহযোগিতা করলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় তা নির্ধারণ করা।
অসময়ে বিভিন্ন মেলা আয়োজনের কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এ বিষয়টি একটি শৃঙ্খলার মধ্যে এনে নিয়মের আওতায় পরিচালনা করা প্রয়োজন। তা না হলে ব্যবসায়ীরা উৎসাহ হারাবেন।
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও গত ১৭ থেকে ১৮ বছরে সেখানে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের নেতৃত্ব সেভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বিভিন্নভাবে পকেট কমিটির মাধ্যমে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রকৃত নেতৃত্ব পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মহানগর ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে তারা সিলেট চেম্বারের তুলনায় কোনো অংশে পিছিয়ে নয়। এ সংগঠনটি যদি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে জেলা চেম্বারও তা করতে সক্ষম।
সিলেট একটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির নগরী। এখানে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করতে কোনো বাধা থাকার কথা নয়। প্রবাসী অধ্যুষিত ও পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলে ব্যবসা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
মহানগর ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ চাইলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে শিল্পকারখানা স্থাপন বা নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
আপনি যদি সিলেটে অসময়ে মেলায় ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে জানতে চান, উপরের অংশে মূল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে তুলে ধরা হয়েছে।






