নির্বাচন ঘিরে বিতর্কিত দাবিতে নতুন আলোচনা -২১০ আসনের লক্ষ্য পূরণ, জামায়াতের স্বপ্ন ছাই!

নির্বাচন ঘিরে বিতর্কিত দাবিতে নতুন আলোচনা -২১০ আসনের লক্ষ্য পূরণ, জামায়াতের স্বপ্ন ছাই! - Surma Times | Sylhet News

নির্বাচন ঘিরে বিতর্কিত দাবিতে নতুন আলোচনা -২১০ আসনের লক্ষ্য পূরণ, জামায়াতের স্বপ্ন ছাই! - Surma Times | Sylhet Newsসুরমা টাইমস ডেস্কঃ   ঢাকা, ১৫ জুন ২০২৬: জুলাই বিপ্লবের পর ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে জামায়াত-শিবিরের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠলেও, শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তির বড় ধরনের বিজয় হয়েছে। জনাব তারেক রহমান নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। দেশের অনেকেই এটাকে শুধু বিএনপির নয়, সারা বাংলাদেশের জনতার বিজয় বলে অভিহিত করছেন।

সূত্র বলছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা সারা দেশের রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের পছন্দের লোকদের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এছাড়া বিনিয়োগ বোর্ড, রাজশাহী বোর্ড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদেও তাদের লোক বসানো হয়। বিচার বিভাগেও অ্যাটর্নি জেনারেল, পিপি, জিপিসহ অনেক পদ তাদের প্রভাবে পূর্ণ হয়।

অথচ বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দল এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তেমন সক্রিয় ছিল না। দলের কিছু কর্মী হাট-বাজার ও ইজারা দখল নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের শীর্ষ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মইন খান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো নেতারা এই পরিকল্পিত চিন্তাভাবনা সময়মতো ধরতে পারেননি বলে মনে করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নীরবে বসে থাকেনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবভিত্তিক আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়— মুক্তিযোদ্ধাদের দল বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো সেক্টর কমান্ডারের দলকে কমপক্ষে ২১০টি আসন দিতে হবে। এই স্লোগান জোরালোভাবে তোলা হয়। জামায়াত নেতারাও একই সংখ্যক আসনের দাবি করলেও শেষমেশ জাতীয়তাবাদীদের সুস্পষ্ট বিজয় ঘটে।

নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে সব পক্ষ স্বীকার করছে। এই বিজয়কে সারা বাংলাদেশের জনগণের শক্তির জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টির সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, “এ বিজয় শুধু বিএনপির একার নয়, এটা পুরো জাতির বিজয়। বৃহত্তর গণতান্ত্রিক শক্তিকে বাদ দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা উচিত হবে না। তাদের অবশ্যই মন্ত্রিসভায় স্থান দিতে হবে।”

তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “সমগ্র জাতি আপনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে তাকিয়ে আছে। মহান আল্লাহ আপনাকে শক্তি দান করুন। ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের চাবিকাঠি আপনি সামনে এগিয়ে নিন।”

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বিজয় নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সবাই এখন তাকিয়ে আছেন নতুন সরকার কীভাবে সব শক্তিকে সমন্বিত করে দেশকে এগিয়ে নেবেন তার দিকে।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article