ট্রিপল মার্ডারে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, ‘দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে’ বিচার চান সিসিক প্রশাসক

ট্রিপল মার্ডারে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, ‘দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে’ বিচার চান সিসিক প্রশাসক - Surma Times | Sylhet News

ট্রিপল মার্ডারে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, ‘দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার চান সিসিক প্রশাসকব্যাখ্যায় সন্দেহ - Surma Times | Sylhet Newsসিলেট, ১৪ আগস্ট: সিলেট নগরীর রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় প্রবীণ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনা বেগম হত্যাকাণ্ডে পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নানা প্রশ্নের মুখে পুলিশও আগের বক্তব্য থেকে কিছুটা সরে এসে এখন বলছে, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে অভিযুক্ত বাবুল মিয়ার ‘চেনাজানা সম্পর্ক’ ছিল। তবে এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, বাবুল মিয়ার সঙ্গে তাহমিনার ‘১৫/২০ দিনের একটা রিলেশন ছিল’ এবং শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাবে বাধা দেওয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে প্রবীণ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৫) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুরো নগরজুড়ে শোক ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে গৃহকর্মী তাহমিনার সম্মতিতে বাবুল মিয়া ওই বাসায় প্রবেশ করেন। পরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে তাহমিনার সঙ্গে তাঁর বিরোধ বাধে। একপর্যায়ে বাবুল ছুরি দিয়ে তাহমিনাকে হত্যা করেন। তাহমিনার চিৎকার শুনে গৃহকর্ত্রী সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও হত্যা করা হয়। পরে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তাঁকেও একইভাবে হত্যা করা হয়।

তবে পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে। নিহত গৃহকর্মী তাহমিনার বাবা, স্থানীয় বাসিন্দা, আইনজীবীসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেকেই শুধু প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে তিনজনকে হত্যা করার বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মত দিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না কিংবা এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে কি না।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, বাবুল মিয়া ওই বাসায় রঙের কাজ করার সময় তাহমিনাও সেখানে কাজ করতেন। কাজ করতে গিয়ে তাঁদের মধ্যে একটি ‘চেনাজানা সম্পর্ক’ তৈরি হয়।

সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রেম! বাবুল মিয়া যখন এই বাসায় রঙের কাজ করতো তখন এই মেয়েও এই বাসায় কাজ করতো। কাজ করতে গিয়ে তার সাথে একটি ‘চেনাজানা সম্পর্ক তৈরি হয়। তার হয়তো এমন কোনো ডিমান্ড ছিলো যা মেয়ে পূরণ করে নাই। সে আমাদের জানিয়েছে মেয়েটি বাবুল মিয়াকে ‘বাদ কথা’ (বাজে কথা) বলেছে। যা তার ইগোতে লেগেছে। তার মানে সে অসম্মানিত হয়েছে। এর প্রতিশোধ নেওয়ার অংশ হিসেবে পরিকল্পনা মতো সে হয়তো ছুরি নিয়ে যায়। মেয়েটিকে অনেকগুলো ছুরিকাঘাত করেছে। রাগ থেকে গলাও কেটে ফেলেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিআইডি, পিবিআই সহ আমরাও আলামত নিয়েছি। স্যোসাল মিডিয়ায় অনেকেই অনেক কিছু বলছেন। তদন্ত যেভাবে করা দরকার আমরা সেটাই করবো।’

আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘আমরা ভিকটিমের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করেছি। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন তাদের আরও সদস্যরা আগামীকাল আসবেন। আসলে মামলা দায়ের করবেন। আমরা আসামীকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছি।’

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাবুল মিয়া প্রথমে তাহমিনাকে হত্যা করেন। এরপর সুরাইয়া বেগমকে হত্যা করা হয়। তাঁদের মরদেহ ভিন্ন রুমে পাওয়া যায়। সবশেষে আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয় এবং তাঁর মরদেহ পাওয়া যায় ড্রয়িং রুমে।

বাবুল মিয়ার দেওয়া বক্তব্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ‘প্রথমে সে তাহমিনাকে হত্যা করেছে। পরে সুরাইয়া বেগমকে হত্যা করে। তাদের লাশ ভিন্ন রুমে পাওয়া যায়। শেষে সে আব্দুস সত্তারকে হত্যা করেছে। তার লাশ ড্রয়িং রুমে পাওয়া যায়। যদি তাহমিনার চিৎকারে বাঁচাতে আসতেন তাহলে সবার লাশ এক জায়গায় পাওয়া যেতো।’

তবে হত্যাকাণ্ডের এই বর্ণনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সিলেট বারের আইনজীবী মঈনুল হক বুলবুল। ইমজা নিউজকে তিনি বলেন, রাগের মাথায় তাহমিনাকে হত্যা করে থাকলে বাবুল মিয়া এরপর নিশ্চিন্তে চলে যেতে পারতেন। প্রবীণ দম্পতিকে হত্যা করার প্রয়োজন ছিল না বলেও মনে করেন তিনি।

মঈনুল হক বুলবুল পৃথক তিনটি কক্ষে মরদেহ পাওয়ার বিষয়টিকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘সবশেষে যাকে খুন করেছে উনার লাশ পাওয়া যায় ড্রয়িং রুমে। গৃহকত্রির লাশ পাওয়া যায় উনার বেডরুমের দরজায়। আর গৃহকর্মীর লাশ পাওয়া যায় তার রুমে। সবশেষে যাকে হত্যা করা হয়েছে তার লাশ কেনো এন্ট্রির রুমে।’

এ ছাড়া ঘটনাস্থলের আলামত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই আইনজীবী। তাঁর প্রশ্ন, চাকুতে রক্তের দাগ মুছে ফেলা হলে বাসার গ্রিলে কেন রক্তের দাগ পাওয়া গেল। কলিং বাজার সময় বিদ্যুৎ ছিল, তাহলে এন্ট্রির ফুটেজ গেল কোথায়, সেই প্রশ্নেরও উত্তর প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিহত তাহমিনার পরিবারের বক্তব্যও পুলিশের প্রাথমিক ব্যাখ্যার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। বৃহস্পতিবার তাহমিনার মরদেহ ময়নাতদন্ত ও গোসল শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে সুনামগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর বাবা বলেন, তাঁর মেয়ে কখনো কোনো সমস্যার কথা তাঁকে জানায়নি। বরং তাহমিনা জানিয়েছিল, রায়নগরের ওই বাসায় সে সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছে।

তাহমিনার বাবা বলেন, ‘মেয়ের কাছে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না।’ তিনি তাঁর মেয়ের বয়স ১২/১৩ বছর বলেও জানান। একসময় তাহমিনা লেখাপড়া করত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। মাত্র এক মাস ১২ দিন আগে গৃহকর্মী হিসেবে রায়নগরের ওই বাসায় কাজে যোগ দিয়েছিল তাহমিনা।

তাঁর দাবি, তাহমিনা অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির মেয়ে ছিল। এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর মেয়ে জড়িত থাকতে পারে, এমনটা তাঁরা বিশ্বাস করেন না।

স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রায়নগরের মিতালী এলাকার ২৬ নম্বর বাসার বাসিন্দা মমিনুল হক বলেন, তাহমিনাকে দেখে তাঁর কখনোই মনে হয়নি যে ওই প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে।

মমিনুল হক বলেন, ‘এত ছোট একটা মেয়ের সঙ্গে ওই বৃদ্ধের প্রেমের সম্পর্ক ছিল; এটা শোনার পর আমাদের কাছে বিষয়টি কেমন যেন সন্দেহজনক মনে হয়। যদি প্রেমের সম্পর্কই থাকে, তাহলে ছুরি নিয়ে কেন আসতে হবে? আর ছুরি নিয়ে এসে যদি মেয়েটিকে হত্যা করাই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে বাসার কাগজপত্র তছনছ করা হলো কেন?’

তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে বাবুলকে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় খালি হাতে দেখা গেছে বলে তাঁরা শুনেছেন। তাঁর প্রশ্ন, যদি ওয়ারড্রব তছনছ করা হয়ে থাকে, তাহলে স্বর্ণালংকার, টাকা-পয়সা বা মূল্যবান কোনো জিনিস নেওয়া হয়নি কেন?

মমিনুল হক বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বর্ণালংকার তাদের জিম্মায় থাকার কথা বলা হয়েছে। আবার অভিযুক্ত ব্যক্তি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর শরীরে রক্তের কোনো দাগ ছিল না বলেও তিনি প্রশ্ন তোলেন। এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

আব্দুস সাত্তারের সম্পত্তি নিয়েও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কথা প্রচলিত রয়েছে বলে দাবি করেন মমিনুল হক। তাঁর ভাষ্য, আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী ও সম্পদশালী ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর জমিজমা ও সম্পত্তি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সমস্যা ছিল বলে স্থানীয়ভাবে তাঁরা শুনেছেন। সিলেট মদনমোহন কলেজের সামনের জমি নিয়েও তাঁর অনেক ঝামেলা ছিল বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ওই এলাকায় তাঁর দুটি বাসা ছিল বলেও জানান মমিনুল।

তিনি বলেন, ‘এখানে আরও অনেক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। এ ব্যাপারে পুলিশ আরও ভালো জানবে। আমরা আশা করি, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ সব রহস্য উদঘাটন করবে।’

প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও জানান তিনি।

ট্রিপল মার্ডারে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, ‘দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে’ বিচার চান সিসিক প্রশাসক - Surma Times | Sylhet Newsএদিকে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মিতালী আবাসিক এলাকা সমাজকল্যাণ সমিতি ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে একজন ব্যক্তি একাই চলে গেছে, এমনটা তাঁরা সহজে বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁদের মতে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। বাসা থেকে জায়গা-জমি সংক্রান্ত দলিলপত্র হারিয়ে যাওয়ার কথা শুনেছেন বলেও তাঁরা জানান। এসব দলিল উদ্ধার করে এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাঁদের চিহ্নিত করার দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আব্দুস সাত্তার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর পরিবারের ওপর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে আশার বিষয় হলো, ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। এখন এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে তিনিও এলাকাবাসীর মতো এ ঘটনার দ্রুত বিচার চান। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীরা যেন আইনের আওতায় আসে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচারের জন্য দ্রুতবিচার আদালতে মামলা পরিচালনার নজির রয়েছে। তিনি চান, এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুতবিচার আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হোক। একই সঙ্গে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ধন্যবাদ জানান সিসিক প্রশাসক। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

তিন হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য, পরিবারের দাবি, স্থানীয়দের প্রশ্ন এবং মানববন্ধন থেকে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে আছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী, ঘটনাটির সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না এবং ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত ও প্রশ্নের ব্যাখ্যা কী, সেসব বিষয়ে তদন্তের ফলই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে ওই বাসার মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাঁদের কাজের মেয়ে তাহমিনার (১৮) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article