সিলেট, ৯ আগস্ট ২০২৬: সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবা, ২০ পুরিয়া গাঁজা, আরও ৭৫ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ২ হাজার ১০০ টাকাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৭ আগস্ট রাতে লিংক রোড স্টেশন রোড ও ভার্থখলা সুইপার কলোনি এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, ৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ লিংক রোড স্টেশন রোডস্থ শাহজালাল (রহঃ) ফার্নিচারের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ৭০ পিস ইয়াবা ও ২০ পুরিয়া গাঁজাসহ জাহাঙ্গীর আহমদকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আহমদ (৩৫) দক্ষিণ সুরমা থানার মোমিনখলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত গোলাম মোস্তফা কামালের ছেলে এবং কিনা বেগমের সন্তান।
এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় ৮ আগস্ট মামলা করা হয়েছে। মামলাটি দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং-১০। এতে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) টেবিলের ১০(ক)/১৯(ক)/৪১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে একই রাতে আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই (নিঃ) পংকজ কুমার সাহা সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ভার্থখলা সুইপার কলোনিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ৭৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ২ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় নান্টু লাল বাশঁফুড় (৩৩) ও সুস্মিতা রানী রিটা @ মনি (২৮) নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। নান্টু লাল বাশঁফুড় মৃত প্রদীপ লালের ছেলে এবং ভার্থখলা সুইপার কলোনির বাসিন্দা। সুস্মিতা রানী রিটা @ মনি আনন্দ দাসের স্ত্রী ও মৃত বাবুল দাসের মেয়ে। তাঁর ঠিকানা ডার্থগলা, সুইপার কলোনি, থানা-দক্ষিণ সুরমা, জেলা-সিলেট হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় ৮ আগস্ট মামলা করা হয়েছে। মামলাটি দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং-১১। এতে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) টেবিলের ১০(ক)/৩৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার তিন আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পৃথক দুই অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও তিনজন গ্রেফতারের ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।






