
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রতিবাদে সিলেটের রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারী শক্তির অবশিষ্টদের যেকোনো অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা রাজপথেই প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) রাত ৮টায় সিলেট মহানগরীর শিবগঞ্জ এলাকা থেকে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিলাগড়ে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের নির্দেশনায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, তাঁতী দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা
সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সিদ্দেক আলীর সভাপতিত্বে এবং মহানগর তাঁতীদলের সদস্য জামাল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, পূণ্যভূমি সিলেটের পবিত্র মাটিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কোনো ঠাঁই নেই। খুনি হাসিনার প্রেতাত্মারা যদি ঝটিকা মিছিল করে জনগণের সরকারকে ভয় দেখাতে চায়, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। সন্ত্রাসীদের বিষদাঁত এই মাটিতেই ভেঙে দেওয়া হবে।
বক্তারা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এখন একটি নিষিদ্ধ ও পরাজিত রাজনৈতিক অপশক্তি। পরাজয়ের গ্লানি সইতে না পেরে তারা গুপ্ত হামলা ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে প্রস্তুত রয়েছে।
তাঁরা বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার পালিত সন্ত্রাসীরা এখনো সাধারণ মানুষের ওপর হামলার পাঁয়তারা করছে। তবে জনগণের জানমাল রক্ষায় বিএনপি বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের আগে সিলেটে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।
উত্তাল স্লোগান
মিছিল ও সমাবেশে নেতাকর্মীরা ‘খুনি হাসিনার আস্তানা জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গুন্ডারা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘হই হই রই রই, আওয়ামী লীগ গেল কই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শাহপরাণ (রহ.) থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক দীপক রায়, বিএনপি নেতা তসলীম উদ্দিন, মাহবুব হোসেন মিলন, জুনেদ আরমান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিজাম উদ্দিন, দেওয়ান কামরান, সাজ্জাদুর রহমান সাজু, সেলিম আহমদ, রফিক আহমদ, সেলিম উদ্দিন, রেজাউল করিম রুবেল, যুবদল নেতা সুমন আহমদ, মুহিবুর রহমান মুহিব, হিলাল উদ্দিন শিপু, নিজাম উদ্দিন টিপু, সালাউদ্দিন আহমদ, শায়েস্তাউর রহমান সানি, কামরান আহমদ কামন, ফয়সল আহমদ, রাহী আহমদসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)






