সিলেট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগরী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেছেন, কুরবানীর বড় শিক্ষা হলো আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করা। তাঁর আদেশকে শিরোধার্য করা। তাঁর হুকুম-আহকাম পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
কুরবানীর ইতিহাসে আমরা দেখেছি, ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে বৃদ্ধ বয়সে প্রাপ্ত সন্তান ইসমাঈল (আঃ) কে যবেহ করার জন্য খুশিমনে রাজি হয়েছিলেন। যেকোনো নেক কাজ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করতে হবে। মু’মীন হিসেবে আল্লাহর পূর্ণ অনুগত হতে হবে, তাঁর জন্য জীবন দিতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করা যাবে না।
তিনি সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগরীর উলামা বিভাগ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উলামা বিভাগের আমীর ড. মাওলানা এ এইচ এম সোলায়মানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে তিলাওয়াত করেন ক্বারী এইচ হক নোমান।
ঈদ স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ও উপস্থিত ছিলেন- উলামা বিভাগের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাদ্দিস মাওলানা হাবীবুল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা খলীলুর রহমান, মাওলানা আব্দুশ শহীদ, মাওলানা মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, মাওলানা আসাদুর রহমান, হাফিজ মাওলানা জিল্লুর রহমান, আলেমেদ্বীন অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আক্কাস মোল্লা, হাফিজ মাওলানা মুখলিসুর রহমান, হাফিজ মাওলানা আব্দুল বাসিত, হাফিজ সৈয়দ আব্দুল আহাদ, মাওলানা আব্দুল্লাহ আনসার, হাফিজ মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা ইকবাল হোসাইন, মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা শামীম সিদ্দিকী, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা জুবায়ের আহমদ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা আসাদুর রহমান, মাওলানা আজিজুল ইসলাম ফোরকানী, মাওলানা জামাল উদ্দীন ও মাওলানা শোয়েব করিম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি





