আনোয়ার হোসেন রনিঃ সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ছাতকের রাজনৈতিক নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনে জিয়া একাধিকবার মামলা, গ্রেফতার ও নানা ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন। বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে জিয়াউর রহমান জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত। তিনি সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন-এর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন নেতা।
দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা ও নেতৃত্বের কারণে কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পাওয়াকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর জিয়াউর রহমান জিয়ার অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা প্রকাশ করেছেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি, সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলেও তাদের প্রত্যাশা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, জিয়াউর রহমান জিয়ার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং ছাতক ও সুনামগঞ্জের রাজনীতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। তার এই পদোন্নতির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে সুনামগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করছেন।





