ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার চাইল দুদক

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা - Surma Times | Sylhet News

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা - Surma Times | Sylhet Newsসিলেট, ১৪ সেপ্টেম্বর: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের সময়মতো না আসা ও আগেই চলে যাওয়ার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ তদন্তে হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার চেয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের চাহিদার প্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্ব স্ব বিভাগের কাছে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার তলব করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কিছু চিকিৎসক সময়মতো হাসপাতালে আসেন না এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যান। এতে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করেছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের একটি বিশেষ দল হাসপাতালে অভিযান চালায়। চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টা না মানার অভিযোগে বিভিন্ন ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে তারা। এরপর দুদক সিলেট কার্যালয় থেকে ডিউটি রোস্টার, বায়োমেট্রিক তথ্যসহ বিভিন্ন নথি চায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগস্ট মাসের ডিউটি রোস্টার পাঠানোর উদ্যোগ নেয়।

হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কে. এম. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দুদকের চাহিদা অনুযায়ী ১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সব চিকিৎসকের ডিউটি রোস্টার জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্টদের এক কর্মদিবসের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের পরিদর্শনের পর আগস্ট মাসের রোস্টার চাওয়ার ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। রোস্টারে উল্লেখিত সময়সূচির সঙ্গে চিকিৎসকদের বাস্তব উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের মিল আছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দুদকের সিলেট কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমদ বলেন, সব তথ্য সংগ্রহের পর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে ঢাকা কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। ঢাকার সিদ্ধান্ত অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে গত ১ আগস্ট হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির এক বিজ্ঞপ্তিতে চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবেশের সময় সকাল ৮টা এবং প্রস্থানের সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিট। বায়োমেট্রিক তথ্য পর্যালোচনায় অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

বায়োমেট্রিক অনুযায়ী সকাল ৯টার পর উপস্থিতির হার বহির্বিভাগে ৪৮ শতাংশ এবং অন্তর্বিভাগে ৬৫ শতাংশ। নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পরও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক কর্মস্থলে আসছেন। অন্যদিকে নির্ধারিত সময়ের আগেই কর্মস্থল ত্যাগের হার বহির্বিভাগে ৯৬ শতাংশ এবং অন্তর্বিভাগে ৯০ শতাংশ।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article