হবিগঞ্জ, ৬ আগস্ট: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় আরও একজন পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৯ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল চুনারুঘাট থানার আমুরোড চা-বাগান বটতলা এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আহমেদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর এলাকায় একটি পিকআপে করে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী গাঁজা নিয়ে অবস্থান করছেন।
সংবাদের ভিত্তিতে ভোর আনুমানিক ৫টা ২৫ মিনিটে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি পিকআপ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। এ সময় তিনজনকে আটক করা হলেও একজন কৌশলে পালিয়ে যান।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে নীল রঙের পলিথিন ও খাকি রঙের স্কচ টেপে মোড়ানো অবস্থায় ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও পিকআপসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, চুনারুঘাট উপজেলার মধ্য ঘনশ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শিমু মীর (৪২), মৃত মিন্নত আলী মীরের ছেলে, পিন্টু মিয়া (২৫) এবং ইলিয়াস মিয়া (৪০), উভয়ই রঙ্গু মিয়ার ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা পরস্পরের যোগসাজশে হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে র্যাব দাবি করেছে।
র্যাব-৯ আরও জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন এবং পলাতক একজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এবং জব্দ করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






