ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি - Surma Times | Sylhet News

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি - Surma Times | Sylhet Newsসিলেট, ৮ জুলাই: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা করেছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও এর সামনে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন ইন্টার্ন চিকিৎসক তাসপিয়ানুল হক ও রেজা নিলয় এবং নগরের বালুচর এলাকার আবরার হোসেন ও জাহিদসহ মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী ও রোগীর আরেক স্বজন।

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক শিশুরোগীকে নিয়ে কয়েকজন স্বজন জরুরি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি - Surma Times | Sylhet Newsবিভাগে আসেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বাইরে থেকে আরও লোকজন এনে ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করেন। খবর পেয়ে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

আহত দুই ইন্টার্ন চিকিৎসকের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক রাকিন হান্নান। আহত রোগীর তিন স্বজনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মাইনুল জাকির বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন

ঘটনার প্রতিবাদে ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে। একই দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অনির্দিষ্টকালের একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর আঘাত নয়, এটি পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর আঘাত। চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article