সিলেট, ১ জুলাই ২০২৬: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় ও ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নার্সিং শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ড্রেসিং রুমের কাচ ও আসবাবপত্র ভাঙচুর হয়েছে।
বুধবার দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর ভবনের নিচতলায় সার্জিক্যাল মাইনর অপারেশন থিয়েটারের ড্রেসিং রুমে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
আহতরা হলেন- সুরমা নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিদ, আল-আমিন নার্সিং কলেজের ছাত্র রবিউল আউয়াল শুভ এবং ওয়েসিস নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রীতম রঞ্জন দাশ। তাঁরা হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই দিন আগে হাসপাতালে ডিউটিরত দুই ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগ ওঠে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার জের ধরে বুধবার বেসরকারি নার্সিং কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগের বিষয় জানতে ড্রেসিং রুমে যান। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় ওটি রুমের কাচ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র ভাঙচুর হয়।
হাসপাতালের স্টাফ নার্স জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “২০-২৫ জন শিক্ষার্থী এসে ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জনকে খুঁজতে থাকে। বিষয়টি জানতে চাইলে তারা আমাকে ধাক্কা দেয় এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয়।”
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. মোহাম্মদ বদরুল আমিন জানান, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে সাময়িক অসুবিধা দেখা দিলেও বর্তমানে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।






