নেউকেন, আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার রিও নেগ্রো ও নেউকেন প্রদেশভিত্তিক পর্যটন সংগঠন স্কাল ইন্টারন্যাশনাল আলতো ভ্যালে এশিয়া ও ইউরোপ অঞ্চলের নতুন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশের গ্লোবাল হসপিটালিটি বিশেষজ্ঞ এম.জেড.আই. ডালটন জহিরকে মনোনীত করেছে। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট লুকাস মার্টিন সোনোরার স্বাক্ষরিত অফিসিয়াল নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
নিয়োগপত্রে ডালটন জহিরের ২৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য কূটনীতি ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনায় তার অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্বে তিনি এশিয়া, ইউরোপ ও আর্জেন্টিনার পর্যটন খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং ব্যবসায়িক সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করবেন।
স্কাল ইন্টারন্যাশনাল আলতো ভ্যালের প্রেসিডেন্ট লুকাস মার্টিন সোনোরা বলেন, ডালটন জহিরের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব তাকে এ দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত করে তুলেছে এবং তার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে উঠবে।
ডালটন জহির বর্তমানে ইউরোপ কি, ট্রাভেলার কি এবং ওয়ার্ল্ড ভ্যাকেশন ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ট্রাভেলার টাইমসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক এবং ‘ওয়েলকাম বাংলাদেশ’ নামের একটি পর্যটনভিত্তিক মিডিয়া ও গাইড প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
পেশাগত জীবনে তিনি গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, রোজ ভিউ হোটেল এবং লেকশোর হোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ব্র্যাক সার্ভিসেস লিমিটেডের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
ডালটন জহির ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিভিল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং ট্যুরিজম ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নির্বাচিত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্কাল ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রিদ ও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং ইন্টারন্যাশনাল ইকোট্যুরিজম সোসাইটির ইউরোপ অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ও পর্তুগালের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরতে তিনি স্পেনের ফিটুর মাদ্রিদ, পর্তুগালের বিটিএল লিসবন, দুবাইয়ের এটিএম, আইবিটিএম বার্সেলোনা, মিলান ট্রাভেল ফেয়ার, আইটিবি এশিয়া সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন মেলায় অংশ নিয়েছেন।
স্কাল ইন্টারন্যাশনালের নতুন এই দায়িত্বকে তিন মহাদেশের মধ্যে পর্যটন সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে বৈশ্বিক পর্যটন নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে।






