বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী আমেরিকায় গ্রেপ্তার, পশুর সঙ্গে যৌ*ন বিকৃতির অভিযোগ

বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী আমেরিকায় গ্রেপ্তার, পশুর সঙ্গে যৌ*ন বিকৃতির অভিযোগ - Surma Times | Sylhet News

বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী আমেরিকায় গ্রেপ্তার, পশুর সঙ্গে যৌ*ন বিকৃতির অভিযোগ - Surma Times | Sylhet Newsটাম্পা, ফ্লোরিডা, ৩ নভেম্বর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের (বেস্টিয়ালিটি) ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ এবং নিজের কাছে রাখার অভিযোগে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক রাইয়ান আবদুল বাতেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ও আসামিদের তথ্যসংক্রান্ত ওয়েবসাইট টাম্পা অ্যারেস্টস এবং আমেরিকাস টপ মাগশটে প্রকাশিত তথ্যে এই অভিযোগের বিষয়টি সামনে এসেছে।

পাবলিক রেকর্ড ও প্রাথমিক গ্রেপ্তারের নথিসূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৬ মিনিটে রাইয়ান বাতেনকে গ্রেপ্তার হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়। ফ্লোরিডার টাম্পা পুলিশ বিভাগ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের যৌন বিকৃতিসংক্রান্ত অপরাধে ১৩টি পৃথক চার্জ বা অভিযোগ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটগুলোতে তাঁর গ্রেপ্তার-পরবর্তী ছবি (মাগশট), সময় ও অভিযোগের আইনি বিবরণ প্রকাশ করা হলেও এসব বিকৃত ভিডিওর প্রকৃতি, অভিযোগের পেছনের বিস্তারিত ঘটনা কিংবা পুলিশি তদন্তের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। অভিযুক্ত রাইয়ান আবদুল বাতেন একটি মেধা তালিকার পরিচিত মুখ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ২০১৬ সালে বুয়েট থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এরপর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার থেকে ২০১৮ সালে স্নাতকোত্তর ও ২০২২ সালে সফলভাবে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবন শেষে ২০২৩ সালের শরৎকাল থেকে তিনি ফ্লোরিডার ঐতিহ্যবাহী ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। সেখানকার বেলিনি কলেজ অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড কম্পিউটিং বিভাগে তিনি কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটেশনাল সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড এআই ল্যাবের পরিচালক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

নথি অনুযায়ী, আমেরিকাস টপ মাগশট এবং ফ্লোরিডা রাজ্যভিত্তিক একাধিক অনলাইন গ্রেপ্তার রেকর্ড ডাটাবেজে তাঁর গ্রেপ্তারের তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে এখনো সংশ্লিষ্ট আদালতের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়নি এবং বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়াধীন।

একজন সহকারী অধ্যাপক হিসেবে একাডেমিক অঙ্গনে পরিচিত এই ব্যক্তির গ্রেপ্তার প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা প্রাচীরপত্রেสำคัญ প্রভাব ফেলতে পারে।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article