ঢাকা, শনিবার (৪ জুলাই): দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার, বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কার্যকর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার এবং সিআইডি প্রধানকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আদালত দুই মাসের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২১ জুন এ আদেশ দেন। শনিবার এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
রিট আবেদনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় আবেগের অজুহাতে সুফি সাধক, বাউল ও ফকিরদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে, যা নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন।
শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় চর্চা ও বিশ্বাসের ওপর হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।
উচ্চ আদালতের এই নির্দেশনাকে মাজার ও লোকজ সংস্কৃতির ধারকদের সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।





