
সুরমা টাইমস ডেস্কঃ ভারতের আহমেদাবাদ পুলিশ কমপক্ষে ১৬৬ জন কথিত বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করেছে এবং তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২ ও ৩ জুন রাতে ‘অপারেশন ডেলটা’ পরিচালনা করে আহমেদাবাদ পুলিশ, যার মধ্যে ৩০০ ব্যক্তি আটক হয়। এর মধ্যে ১৬৬ জনকে কথিত বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
গুজরাটের সবচেয়ে বড় শহর আহমেদাবাদে এ বছর অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। পুরো গুজরাটে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়, ২০২৫ সালে আহমেদাবাদ শহর থেকে মোট ৪৬৫ বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ আটক ব্যক্তিদের গায়কোয়াড হাভেলিতে একটি ফুটবল মাঠে বসা অবস্থায় দেখা যায়। হাভেলি হলো আহমেদাবাদে ডিটেকশন অব ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রধান কার্যালয়।
অপারেশন ডেলটায় অংশ নিয়েছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ, ইকোনমিক অফেন্সেস উইং, সাইবারক্রাইম, স্পেশাল অপারেশন্স গ্রুপ ও স্থানীয় পুলিশ স্টেশনের ১০টি টিম।
পুলিশ কমিশনার জিএস মালিক বলেন, উপমুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুলিশের বিভিন্ন টিম গঠন করে শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেয়া হয়। মানবিক গোয়েন্দা এবং প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে এসব অবৈধ মানুষ কোথায় থাকে সে সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। ৩০০ মানুষকে ঘেরাও করার মধ্যে ১৬৬ জনকে বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫ জন নারী, ৩০টি শিশু ও ৪১ জন পুরুষ। তাদের যাচাই প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্পা এবং অন্যান্য অসামাজিক কাজে নারীরা যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে পুরুষরা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এসব অভিবাসীকে শনাক্তকরণ ও অন্যান্য বিষয়ে তদন্ত অগ্রাধিকারে রয়েছে। তাদের বেশির ভাগই এখানে আট মাস থেকে দুই বছর যাবত বসবাস করছেন।
জেসিপি শারদ সিঙ্গালের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, অভিযানে তাদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড পাওয়া গেছে, কিন্তু ক্র চেক করতে গিয়ে তার মধ্যে বেশির ভাগই ভুয়া পাওয়া গেছে। অনেকের কাছে পশ্চিমবঙ্গের ডকুমেন্ট আছে। পাশাপাশি পাচারকারীদের বিষয়েও তদন্ত চলছে।





