সাংবাদিক সুবর্নার পিতা ও সাকীর শ্বশুর বাউলশিল্পী আবদুল হামিদ আর নেই

প্রখ্যাত বাউলশিল্পী আবদুল হামিদ আর নেই। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

 

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়—স্বজন, ভক্ত ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাউলশিল্পী আবদুল হামিদ সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সিলেট উইমেন্স জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুবর্ণা হামিদের পিতা ও চ্যানেল আইয়ের সিলেট প্রতিনিধি সাদিকুর রহমান সাকীর শ্বশুর।

 

তার স্ত্রী সিলেট সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহানারা খানম মিলন। কিংবদন্তি এ বাউলশিল্পী ‘ঝাঁকে উড়ে আকাশজুড়ে দেখতে কী সুন্দর/জালালের জালালী কইতর’। ‘মায়াবিনী কালসাপিনী’সহ অসংখ্য গানের গীতিকার। একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর সেনানিও ছিলেন তিনি ।

শুক্রবার বাদ জুমআ হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে জানাজা শেষে তাকে দরগাহ কবরস্থানে দাফন করা হবে।

১৯৪৯ সালের ১৫ জুন বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আড়িয়ার চকনন্দন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবু তালেব ও মাতার নাম জাবেদা বেগম। তিনি বর্তমানে নগরীর গোয়াইপাড়ায় সপরিবারে বসবাস করতেন।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের শোক::

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সুবর্ণা হামিদের পিতা ও সাদিকুর রহমান সাকীর শ্বশুর প্রখ্যাত বাউলশিল্পী আবদুল হামিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব। এক শোকবার্তায় ক্লাবের সভাপতি হাসিনা বেগম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ দিদার আলম নবেল মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোকবার্তায় ক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন— বাউল আবদুল হামিদ ছিলেন অত্যন্ত গুণী শিল্পী ও গীতিকার। সারাজীবন তিনি সুস্থধারার সংস্কৃতি চর্চা করে গেছেন।
তার রচিত অনেক গান এখনো মানুষের কন্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে। গুণী এই শিল্পীর সৃষ্টি ও কর্ম তাকে সংস্কৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখবে।

 

 

— বিজ্ঞপ্তি ।।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।