
সিলেট, ২৫ জুলাই: শিক্ষকতা অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা উল্লেখ করে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, একটি শিক্ষিত, আদর্শ ও সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে শিক্ষকরাই মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেন। শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান করে গড়ে তোলেন।
শনিবার দুপুরে নগরীর দি এইডেড হাই স্কুলের হলরুমে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) সিলেট মহানগর শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার যুগোপযোগী উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের সামাজিক ও বস্তুগত মানোন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষক সমাজকে আরও দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে হবে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষক সমিতি ও সরকারের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ এবং নতুন নেতৃত্বকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ও মো. মজির উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বাশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল করিম লিটন, অর্থ সচিব আব্দুল আউয়াল মোল্লা, বাশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ এইচ এম ইসরাইল আহমদ ও শরিফুল আলম, বাশিস সিলেট জেলা শাখার সভাপতি আহমদ আলী ও সদস্য সচিব অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানী, আল-আমিন জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এবং বাশিসের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আজমত আলী।
সম্মেলনে বাশিস সিলেট জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি খালেদ আহমদ, দি এইডেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বাশিস জেলা শাখার সাবেক সচিব শমসের আলী, প্রধান শিক্ষক রিপন সূত্রধরসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও সিনিয়র শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন।
সম্মেলনে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জামাল উদ্দীনকে সভাপতি এবং দি এইডেড হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মো. মজির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৪ সদস্যবিশিষ্ট সিলেট মহানগর শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষক সমাজের মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।





