সিলেট, ৮ জুলাই: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত খুলে যাবে। গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে গেছে। জর্ডান, কুয়েত, ওমান, মরিশাস ও সৌদি আরবে শ্রমবাজার খুলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিলেটে মার্কিন বিনিয়োগ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের সম্ভাবনা এবং প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পর্যটন সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সিলেটের উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সিলেটে মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে সিলেটের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, তাহসিনা রুশদীর লুনা, এমরান আহমেদ চৌধুরী, মুফতি আবুল হাসান, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত পরে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি কিন ব্রিজ, আলী আমজাদের ঘড়িঘরসহ চাঁদনীঘাট এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সিলেটের বিখ্যাত সাত রঙের চা উপভোগ করেন।






