উপশহরে বানোয়াট মামলার অভিযোগ, ৮০ বছর বয়সী বকুলকে ফাঁসানোর দাবি স্ত্রীর

Sylhet press conference - Surma Times | Sylhet News

Sylhet press conference - Surma Times | Sylhet Newsসুরমা টাইমস রিপোর্টঃ সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহরে মব সৃষ্টি করে ও পরিকল্পিত গণধোলাইয়ের নাটক সাজিয়ে ৮০ বছর বয়সী মৌলভীবাজারের বড়লেখার উপজেলার সুজানগর গ্রামের আবদুস শুক্কুর বকুলকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী রুশনা বেগম।

রোববার (৭ জুন) সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুশনা বেগম বলেন, “গত ৫ জুন রাতে শাহজালাল উপশহরের এবিসি পয়েন্ট এলাকায় ‘কিশোর ধর্ষণের’ অভিযোগ তুলে একদল লোক তাঁর স্বামী ও মো. খায়রুল ইসলাম বাবলা নামের অপর একজনকে অবরুদ্ধ করে মারধর ও হেনস্তা করে। পরে পুলিশ এসে তাদের হেফাজতে নেয়। পরদিন ৬ জুন বিমানবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।”

তিনি দাবি করেন, তাঁর স্বামী আবদুস শুক্কুর বকুল একজন ৮০ বছর বয়সী শারীরিকভাবে অসুস্থ ও দুর্বল ব্যক্তি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিকভাবে হেয় ও হয়রানি করার জন্য একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা সাজিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রুশনা বেগম আরও অভিযোগ করেন, সন্তানরা প্রবাসে থাকায় তাঁর স্বামী প্রায় একাই বাসায় থাকতেন। এ সুযোগে শাহজালাল উপশহরের ব্লক-বি এলাকার মুহিবুর রহমান নামের এক যুবক ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর স্বামীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিল এবং টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করত। দাবি পূরণ না করায় তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্ভাব্য ঝুঁকির আশঙ্কায় আবদুস শুক্কুর বকুল গত ৩ জুন শাহপরাণ (রহ.) থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১২৯) করেন। ওই জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, উপশহর এলাকার আব্দুল মুমিনের পুত্র মুহিবুর রহমান তাঁর কাছে ইয়াবা সেবনের জন্য টাকা দাবি করেন এবং টাকা না পেয়ে তাঁকে হুমকি দেন।

রুশনা বেগমের দাবি, ওই জিডির প্রতিশোধ নিতেই দুই দিনের মাথায় ৫ জুনের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁদের বিশ্বাস, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র প্রবাসে থাকা ছেলেদের কাছ থেকে অর্থ আদায় ও ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে এ ষড়যন্ত্র করেছে।

তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকার, পুলিশের আইজিপি এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article