সিলেট, ২২ আগস্ট: সিলেটের ওসমানীনগরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও তেলবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগরের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকার কসরতল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকাগামী পদ্মা তেলবাহী ট্রাকটি, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ঢ-৪৪-০৬৫৪, ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। অটোরিকশাটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর মৌলভীবাজার থ-১১-৮৩৫৩।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় তেলবাহী ট্রাকটি উল্টো পথে গিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
হাইওয়ে পুলিশের শেরপুর থানার ওসি আনিসুর রহমান এবং ওসমানীনগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচ থেকে ছয়জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন মারা গেছেন বলে তাঁরা শুনেছেন, তবে তখনও বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
অন্যদিকে, ঘটনাস্থল থেকে সংবাদ সংগ্রহকারী প্রতিবেদক প্রথম দিকে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং গুরুতর আহত চারজনকে হাসপাতালে পাঠানোর কথা জানান। পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়ায় বলে জানা যায়।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
এর আগে গত ৭ আগস্ট শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটে। এর ১৫ দিনের মাথায় একই এলাকায় আবারও প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা ঘটল।






