কালাম-জয়নালকে গ্রেপ্তারের আহ্বান
ফাহিমা হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। লাশ গুমের ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল কালাম ও জয়নাল খালাস পাওয়ায় তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সিলেট আদালতপাড়ায় সোনারপাড়া এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন, সিলেট বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে মামলার বাদী ও নিহত ফাহিমার মা রুবিনা বেগমসহ স্বজন ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে আইন অনুযায়ী রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, লাশ গুমের ঘটনায় আবুল কালাম ও জয়নালের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও তারা খালাস পেয়েছেন। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তাদের আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় ন্যায়বিচারের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সুনির্মল সেনের সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সাহান উদ্দিন নাজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিলেট জেলা বারের আইনজীবী ও সিনিয়র সাংবাদিক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু, সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের সহসাধারণ সম্পাদক ও ঢাকার ডাকের সিলেট ব্যুরো চিফ এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল খান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সিলেটি মাসুক, নিহত ফাহিমার মা রুবিনা বেগম, বাবা রাইসুল হক, চাচা আব্দুল হক, শরিফ উদ্দিন, ইমাম রকিবুল, রিয়াজুল, চাচি শাহানা বেগম ও সোনারপাড়া এলাকার যুবক আব্দুল আহাদ নোমানসহ অনেকে।
নিহত ফাহিমার মা রুবিনা বেগম বলেন, মেয়ের হত্যার ঘটনায় তিনি পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার চান। জাকিরের মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করার পাশাপাশি লাশ গুমের ঘটনায় খালাস পাওয়া আবুল কালাম ও জয়নালকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, **ফাহিমা হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে শুধু একজনের সাজা কার্যকর করাই যথেষ্ট নয়; ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।**





