সুনামগঞ্জ, ১২ জুলাই ২০২৬: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে গিয়ে ১১ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ, অপর আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।
ঘটনাটি উপজেলার হাবীবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামে ঘটে। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে কিশোরী বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে গেলে একই গ্রামের সোফায়েল মিয়া (২০) পেছন থেকে তার মুখ চেপে ধরে গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় তার সহযোগী সায়েক মিয়া (২০) মোবাইল ফোনে ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে।
ভয় ও আতঙ্কের কারণে কিশোরী বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানায়নি। পরবর্তীতে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায় সে।
এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা শনিবার রাতে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি সোফায়েল মিয়া, পিতা মহিম উদ্দিন, গ্রাম মার্কুলী, হাবীবপুর ইউনিয়ন, শাল্লা, কে পুলিশ গ্রেফতার করে রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকিবুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি সায়েক মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।





