
সিলেট, ৩ জুলাই – সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব, দক্ষিণ আলমপুর জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লী ও হযরত শাহজালাল লতিফিয়া হাফিজিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী মো. মখন মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কুলখানী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আলমপুর এলাকায় নিজ বাসভবনে মরহুমের পরিবারের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা মুফতী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ছাহেবজাদায়ে ফুলতলী। এতে এলাকার মুরব্বিয়ান, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ অংশ নেন।
দোয়া মাহফিলে জান আলী শাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী হিসেবে হাজী মখন মিয়ার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিশিষ্টজনরা। বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সৎ, বিনয়ী, পরোপকারী ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী ব্যক্তি, যিনি আজীবন শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সমাজের উন্নয়ন, ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তার আন্তরিকতা তাকে এলাকাবাসীর হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে দিয়েছে। নতুন প্রজন্মের জন্য তিনি একটি অনুসরণীয় আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হবেন বলেও মত দেন তারা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মরহুমের সন্তানরা—রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী মো. শামীম কবীর, ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. শাহীন কবীর, ব্যবসায়ী মো. ছালিম কবীর, মো. সুলেমান আহমদ, মো. সুহেল আহমদ এবং কানাডা প্রবাসী মো. সামুন কবীর—সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের পিতার জন্য দোয়া কামনা করেন।
সমাজসেবা, শিক্ষা বিস্তার এবং মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ এক জীবনধারার মাধ্যমে হাজী মখন মিয়া যে অবদান রেখে গেছেন, তা এলাকাবাসীর কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে দোয়া মাহফিলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।





