সুরমা টাইমস ডেস্কঃ উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী রোববার একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। সম্ভাব্য ভেন্যু সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
পশ্চিমা একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী শনিবার (১৩ জুন) এর খসড়া চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে।
সূত্র অনুসারে, সমঝোতায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে জোর দিচ্ছে ইরান। সম্ভাব্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ উপস্থিত থাকতে পারেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা স্থগিত রাখা হয়েছে কারণ সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।
কী থাকতে পারে চুক্তিতে?
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, চুক্তিতে তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত কয়েক বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্তি এবং লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে হামলা বন্ধের বিষয় থাকতে পারে।
বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র চায় হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর নিশ্চয়তা। তবে পারমাণবিক ইস্যুতে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে না, এটি পরবর্তী আলোচনায় রাখা হচ্ছে।
ইরান বরাবর দাবি করে আসছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তিতে ইরানের অর্থনীতি পুনর্গঠনে বড় সহায়তা এবং কিছু মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতিও থাকতে পারে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সমঝোতা উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা অনেকাংশে কমিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
বিশ্ববাসী এখন সতর্ক দৃষ্টিতে রোববারের দিকে তাকিয়ে আছে।






