সুরমা টাইমস ডেস্কঃ ঢাকার বাজারে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শাওমি। বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরা প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে ভিন্ন মাত্রার ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা।
১০ জুন রাজধানীতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘দ্য মোমেন্ট বিয়ন্ড সাইট’ থিমে ডিভাইসটি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি সাংবাদিক, টেক রিভিউয়ার, ফটোগ্রাফার এবং শাওমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর লাইকা-পাওয়ারড ক্যামেরা সিস্টেম। ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লাইকা সামিলুক্স লেন্স। পাশাপাশি ৫০ মেগাপিক্সেলের ৫এক্স টেলিফটো ক্যামেরা ও ১২০এক্স এআই জুম সুবিধা দূরের বিষয়কেও স্পষ্টভাবে ধরতে সক্ষম। ‘লাইভ মোমেন্ট’ ও ‘স্টেজ মোড’ ফিচার ব্যবহারকারীদের সৃজনশীলতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
ডিসপ্লেতে রয়েছে ৬.৫৯ ইঞ্চির ১.৫কে অ্যামোলেড প্যানেল, যা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ৩,৫০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস সমর্থন করে। ফলে তীব্র আলোতেও স্ক্রিনে পাওয়া যাবে পরিষ্কার ও প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল। চোখের সুরক্ষায় যুক্ত করা হয়েছে টিইউভি সার্টিফাইড আই কমফোর্ট প্রযুক্তি।
ব্যাটারির দিক থেকেও চমক দেখিয়েছে শাওমি। ৬,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি একবার চার্জে প্রায় দেড় দিনের বেশি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। একই সঙ্গে আইপি৬৮ রেটিংয়ের কারণে পানি ও ধুলাবালিতেও টেকসই পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে ডিভাইসটি।
পারফরম্যান্সে রয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৮৫০০ আল্ট্রা প্রসেসর এবং শাওমি হাইপারওএস। এর সঙ্গে হাইপারএআই, গুগল জেমিনি এবং সার্কেল টু সার্চের মতো আধুনিক ফিচার যুক্ত হওয়ায় স্মার্টফোনটি হয়ে উঠেছে আরও দ্রুত ও স্মার্ট।
শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বমানের ফটোগ্রাফি প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আরও উদ্ভাবনী ফ্ল্যাগশিপ আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
১২ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটি ১১ জুন থেকে দেশের সকল অথরাইজড শাওমি স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ভায়োলেট, ওপাল হোয়াইট ও ব্ল্যাক রঙে বাজারে আসা ডিভাইসটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯,৯৯৯ টাকা।
প্রযুক্তিপ্রেমী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে আনা এই ডিভাইসটি বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






