‘দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে যুব সমাজকে স্বনির্ভর করতে হবে’

সুরমা টাইমস ডেস্ক :

বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগের যুব সংগঠক, আত্মকর্মী ও বাংলাদেশপ্রেমী সৃষ্টিশীল যুবদের সমন্বয়ে এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক যুব সংগঠন সিকস’র অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা এবং বাংলাদেশী প্রবাসীদের সবধরনের দাবী উপস্থাপনের বলিষ্ঠ সংগঠন সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে ৫ মে ২০২৫ সোমবার সিলেট কল্যাণ সংস্থার ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবীর ওসমানী শিশু উদ্যান, সিলেট এর সম্মুখে বিকাল ২.৩০ ঘটিকায় যুব সমাবেশ ও বিকাল ৩.১৫ ঘটিকায় বঙ্গবীর ওসমানী শিশু উদ্যানের সম্মুখ হতে সিটি পয়েন্ট, কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার পয়েন্ট হয়ে উত্তর জল্লারপারস্থ সিলেট কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

 

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্র পূর্ববর্তী যুব সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুবসমাজ যেকোনো দেশের মূল্যবান সম্পদ। জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

 

যুবসমাজের মেধা, সৃজনশীলতা, সাহস ও প্রতিভাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠে একটি জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও যুব সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার, নীতি নির্ধারক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।

 

মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৬ কোটি যুব সমাজ হচ্ছে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও উৎপাদনমূখী অংশ। দেশের অসংগঠিত, কর্মপ্রত্যাশী এই যুবগোষ্ঠিকে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমূখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে রাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। বক্তারা বলেন, যুবসমাজই একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়নের চিন্তা বাস্তবতা বিবর্জিত।

 

 

যুবসমাজ বলবান, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও উৎপাদনশীল শক্তি। তাদের আছে স্বপ্ন, আছে নতুনের প্রতি আসক্তি এবং আশা-আকাংখা। তারা চঞ্চল কিন্তু বেগবান। যুবসমাজের আত্মপ্রত্যয় ও গতিময়তাকে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়নের গতিপথ হবে পরিশীলিত ও সতেজ।

 

তাই দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে যুব সমাজকে স্বনির্ভর করতে হবে। এই যুব সমাজকে কোনোভাবেই যেন অনৈতিক ও অন্যায় কাজে ব্যবহার করা না হয়। সেদিকে সর্বমহলকে নজর রাখতে হবে।

 

জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদারের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন শরীফ থেকে তেলাওয়াত করেন যুবনেতা মোঃ আফজাল হোসেন।

 

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমান। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পূর্ববর্তী যুব সমাবেশে যুব নেতৃবৃন্দদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন সিসিক’র সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ শাহ্জাহান মাস্টার, সিকস’র কার্যকরী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ তালেব হোসেন তালেব, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ নাজমুল হুসাইন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী,

 

সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব ইকবাল মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম শিতাব,

 

মোঃ ফুজায়েল আহমদ, বাংলাদেশী প্রবাসী মোঃ আশিক আহমদ। যুব সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুব নেতৃবৃন্দদের মধ্য থেকে অংশগ্রহণ করেন দিপক কুমার মোদক বিলু, মিলাদ আহমেদ, জয়নাল আবেদীন, সাগর দে, মোঃ আদনান ছামি ফাহিম, মোঃ জহিরুল হক জাকির, মোঃ ইকবাল হোসেন,

 

মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, মোঃ আল-আমিন আহমদ, দেলোয়ার হোসেন, মোঃ বিলাল মিয়া, নীলমনি কান্ত চন্দ, মোঃ সুমন আহমদ, মজিদ মিয়া, গিয়াস আহমদ, সপিক মিয়া, মোঃ ছামি আহমদ, হোমায়রা হোসাইন,

 

মোঃ সুহেল মিয়া, কামরুজ্জামান চৌধুরী, মোহাম্মদ সহিদ চৌধুরী, মোঃ তাজ উদ্দীন, দিলীপ আচার্য্য, কালিপদ সূত্রধর, মোঃ আলী হায়দার, তোফায়েল আহমদ, মখছুছুর রহমান, জুবায়ের চৌধুরী, রুজি আক্তার, রুনা আক্তার ও সাইয়িদা আক্তার।

Share This Article