ঢাকা, ২ নভেম্বর: কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ৪ নভেম্বর থেকে তিন দিন সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ কম থাকবে। এ সময়ে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।
রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাবে।
এ সময়ে সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে বলে গ্রাহকদের সতর্ক করেছে পেট্রোবাংলা। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে গ্যাস সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল।
দীর্ঘদিন ধরে দেশে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ফারাক রয়েছে। চাহিদার একটি বড় অংশ মেটাতে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই একটি টার্মিনাল কয়েক দিন বন্ধ থাকলেই জাতীয় গ্রিডে চাপ পড়ে। শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আবাসিক গ্রাহক, সবাই এর প্রভাব অনুভব করেন।
তিন দিনের এই বিঘ্ন সাময়িক হলেও এর প্রভাব পড়তে পারে উৎপাদনে। বিশেষ করে যেসব কারখানা গ্যাসনির্ভর, তাদের উৎপাদন পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে। রান্নার সময় আবাসিক গ্রাহকদের চাপও কম পাবেন অনেকে। নতুন সপ্তাহের শুরুতেই এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।




