সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ৭৫ ইন্টার্নের বর্ণাঢ্য বিদায়

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ৭৫ ইন্টার্নের বর্ণাঢ্য বিদায় - Surma Times | Sylhet News

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ৭৫ ইন্টার্নের বর্ণাঢ্য বিদায় - Surma Times | Sylhet Newsসিলেট, ৬ অক্টোবর: সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৫তম ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দুই দিনব্যাপী সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন। রোববার ও সোমবার (৪ ও ৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত দুই দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেন ৭৫ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক।

প্রথম দিন রোববার সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালি দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর আলী বাহার চা-বাগানে হয় ফটোসেশন। সন্ধ্যায় ছিল ফুচকা স্টল ও মেহেদি উৎসব।

দ্বিতীয় দিন সোমবার সকালে বিদায়ী ইন্টার্নদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট ও মেডেল। একই দিন আয়োজন করা হয় স্মৃতিচারণ পর্ব। রাতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে দুই দিনের এই আয়োজনের। অনুষ্ঠানে ৭৫ জন বিদায়ী ইন্টার্ন চিকিৎসককে প্রশংসাপত্র ও মেডেল দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন। সঞ্চালনায় ছিলেন ডা. খন্দকার তাশরীকা এরিকা ও ডা. চৌধুরী সিদরাতুল মুনতাহার।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের পরিচালক কোম্পানী হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহিম কায়সার। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. অয়েস আহমেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. তহুর আবদুল্লাহ চৌধুরী, সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি. এ. হাসান চৌধুরী এবং মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ গোলাম রব শোয়েব। ১৫তম ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাশাপাশি হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বক্তারা বলেন, চিকিৎসা পেশা শুধু জীবিকার উপায় নয়। এটি মানুষের সেবা ও কল্যাণের এক মহান দায়িত্ব। রোগীর আস্থা অর্জন এবং মানবিক আচরণ একজন চিকিৎসকের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সে কারণে কর্মজীবনে প্রবেশের পর বিদায়ী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করার আহ্বান জানান বক্তারা। তাঁরা বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। চিকিৎসাজ্ঞানকে মানবতার কল্যাণে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও দেশের জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তাঁরা।

ইন্টার্নশিপ শেষ হওয়ার মানে শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি, আর পেশাজীবনের নতুন যাত্রার সূচনা। ৭৫ জন তরুণ চিকিৎসক এখন সেই পথেই পা রাখছেন। রোগীর পাশে দাঁড়ানোর যে দায়িত্ব তাঁদের সামনে অপেক্ষা করছে, বক্তাদের পরামর্শ ছিল সেখানে দক্ষতার সঙ্গে মানবিকতার সমন্বয় ঘটানোর।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article