বগুড়া, ৩০ আগস্ট: মুরগিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার গাবতলীতে এক নারীর ভাসুরের বিরুদ্ধে। বিচার চাইতে সেই আহত মুরগিকে সঙ্গে নিয়েই থানায় হাজির হয়েছেন শম্পা রানী নামের এক গৃহবধূ। ব্যতিক্রমী এই ঘটনা নিয়ে এলাকাজুড়ে ছড়িয়েছে কৌতূহল।
গাবতলী উপজেলার ধনঞ্জয় গ্রামের বাসিন্দা শম্পা রানীর অভিযোগ, বাড়িতে পালা একটি ডিমপাড়া মুরগির মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন তার ভাসুর। এতে মুরগিটি গুরুতর আহত হয়, নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। কেন এই আঘাত করা হলো, জানতে চাইলে উল্টো মুরগিটি জবাই করার পরামর্শ দেন ভাসুর। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শম্পা রানী।
এরপর আর দেরি করেননি তিনি। আহত মুরগির চিকিৎসা ও ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে সরাসরি চলে যান গাবতলী মডেল থানায়, সঙ্গে নিয়ে যান রক্তাক্ত মুরগিটিকেও।
থানায় গিয়ে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানান শম্পা রানী। গাবতলী মডেল থানার ওসি মো. রাকিব হোসেন জানান, ঘটনাটি শোনার পর মুরগির চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসীর কাছে অবশ্য এই ঘটনা এখন আলোচনার খোরাক। পারিবারিক বিরোধ কীভাবে একটি মুরগিকে ঘিরে থানা পর্যন্ত গড়াতে পারে, তা নিয়েই এখন চলছে নানা মন্তব্য।





