সিলেট: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ, বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি অভিযানিক দল সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানাধীন হেতিমগঞ্জ বাজারে অবস্থানকালে গত ১২/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ২১.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানাধীন গোলাপগঞ্জ বাজারস্থ ওয়ারিস উল্লাহ মার্কেটের একটি দোকানের ভেতর কতিপয় অনলাইন জুয়ারি দলের সদস্যগণ অনলাইনে জুয়া খেলছে।
উক্ত সংবাদ পেয়ে র্যাবের অভিযানিক দলটি আনুমানিক রাত ২১.৪০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কতিপয় ব্যক্তি কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে ০৪ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তারা অনলাইনে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিল।
পরবর্তীতে তাদের হেফাজতে থাকা জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত ০৪টি স্মার্ট মোবাইল ফোনসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা- ০১। মো. রুবেল মিয়া (২৮), পিতা- মো. জুরু মিয়া, সাং-শাহজাদপুর, থানা- সরাইল, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ০২। প্রদীপ পাল (৩৪), পিতা- মৃত পীযুষ কান্তি পাল, ০৩। মো. জাহান উদ্দিন (২৯), পিতা- গিয়াস উদ্দিন, এবং ০৪। টাকু সেন (২৯), পিতা- ইছাক, উভয় সাং- ফুলবাড়ি, থানা- গোলাপগঞ্জ, জেলা- সিলেট।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তারা ২৯৯নবঃারঢ়.পড়স, শ৭৭৭৭ সহ অন্যান্য আরো অনেক অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে জুয়া খেলে। তাদের নিকট থেকে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন যাচাই করে অনলাইন জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায়।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিগণ ও জব্দকৃত আলামত সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





