কালারফুল সিলেটের ২য় বর্ষপূর্তিতে ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

কালারফুল সিলেটের ২য় বর্ষপূর্তিতে ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত - Surma Times | Sylhet News
কালারফুল সিলেটের ২য় বর্ষপূর্তিতে ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত - Surma Times | Sylhet News
সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কালারফুল সিলেট’-এর ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’-এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।

সিলেট, ৮ আগস্ট: সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কালারফুল সিলেটের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬। শনিবার (৮ আগস্ট) নগরীর শারদা স্মৃতি ভবনে দিনব্যাপী এই আয়োজনের লক্ষ্য ছিল সিলেটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামিম। বক্তব্য রাখেন লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি১-এর রিজিয়ন চেয়ারপারসন (হেডকোয়ার্টার) লায়ন আমিন উদ্দিন আহমেদ এবং কালারফুল সিলেটের সভাপতি শাহরুল আলম।

কালারফুল সিলেটের সদস্য ফারিহা জাহান রিফার সঞ্চালনায় এবং সিলেট হেরিটেজ রানের ডিরেক্টর আজাদ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালারফুল সিলেটের সদস্যসচিব অমিত হাসান মাহি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সিলেটের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গর্বের অংশ। শিল্পের মাধ্যমে এসব ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তারা। তাদের ভাষায়, কালারফুল সিলেটের এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ তরুণদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি নিজস্ব শেকড় ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালারফুল সিলেটের সদস্য নাহিদ আহমেদ, নাজির উদ্দিন, সায়েম রাজা, রাহুল আহমেদ, ইমা বেগমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, শিল্পী, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফয়সাল আহমদ এবং গীতা পাঠ করেন কল্লোল চক্রবর্তী।

দুই বছরের পথচলায় কালারফুল সিলেট বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সংগঠনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির এই আয়োজন সেই পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।

শিল্প ও ঐতিহ্যকে একসূত্রে গাঁথার এই উদ্যোগ কেবল একটি বার্ষিক আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং সিলেটের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার একটি টেকসই প্রয়াস হিসেবেও গুরুত্ব পাচ্ছে এই আয়োজন, যা আগামী দিনে তরুণদের মধ্যে ঐতিহ্য সংরক্ষণের চেতনা আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article