সিলেট, ২ জুলাই: প্রেমের সম্পর্কের আড়ালে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে যাওয়ার পর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী কমিশনার (এসি) সোহেল উদ্দিনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) রাতে তাকে থানা থেকে সরিয়ে এসএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই আদেশে সোহেল উদ্দিনকে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন দুপুরে ঢাকা মহানগর আদালত-১৫-এর বিচারক নাজনীন আক্তারের আদালতে সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন জসিম জানান, প্রতারণার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত এই আদেশ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা পেশাগত জীবনের বাইরে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকলেও অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পটভূমিতে জানা যায়, সোহেল উদ্দিন ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মনতলা গ্রামে।
সমাপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।




