সিলেট, ৯ জুলাই: পারিবারিক সম্পর্ককে পুঁজি করে খালাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গভীর রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সহযোগীদের নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর স্বামীর দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
বুধবার (৮ জুলাই) আনুমানিক বিকাল সোয়া ৪টার দিকে সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন রিকাবি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত যুবক সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানার শেখেরগাঁও এলাকার করম আলীর ছেলে মো. হাবিব (৩৫)। তিনি ভিকটিমের স্বামীর খালাতো ভাই।
র্যাব জানায়, ভিকটিম সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন শেখেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা। মো. হাবিব একই এলাকার বাসিন্দা এবং ভিকটিমের স্বামীর খালাতো ভাই হওয়ায় তিনি প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ১৮ জুন রাতে ভিকটিম তার শাশুড়ির সঙ্গে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় তার স্বামী কর্মসূত্রে বিশ্বনাথে এবং শ্বশুর কোম্পানীগঞ্জে ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে মো. হাবিবসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার নাম ধরে ডাকাডাকি করেন। ভিকটিম দরজা খুললে মো. হাবিব তার মুখ চেপে ধরে টেনে-হিঁচড়ে ঘরে নিয়ে যান। পরে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অন্যান্য অভিযুক্তরা ঘরের বাইরে অবস্থান করে পাহারা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভিকটিমের শাশুড়ি শব্দ শুনে ঘর থেকে বের হলে অভিযুক্তরা তাকে দেখতে পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এরপর তিনি ভিকটিমের ঘরে গিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সিপিএসসি, সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
খালাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিকাবীবাজার থেকে যুবক গ্রেপ্তার




