আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক দুই দিনে সংঘটিত হামলাগুলো ওই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির প্রভাবকে দুর্বল করেছে এবং আশঙ্কা করেছে যে সংঘাত আবার বিস্তৃত আকার নিতে পারে।
রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সতর্ক করে লিখেছেন, পরিস্থিতি অপ্রতুল হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘যা শুরু করেছে তা সামরিকভাবে সম্পন্ন’ করার পথ বেছে নেবে এবং সেই ধারায় তিনি ইরানকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করার হুমকিও দিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন সিদ্ধান্ত নিলে “ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।”
ঘটনার ধারাবাহিকতায় বলা হয়, চার মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধের উদ্দেশ্যে মাত্র দুই সপ্তাহ আগে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়; তবু নির্দিষ্ট অঞ্চলে উত্তেজনা কমেনি। বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালীর নিকট একটি বাণিজ্যিক কার্গো জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটলে শুক্রবার একে প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় কিছু সামরিক স্থানে বিমান হামলা চালায়, আর এর জবাবে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কুয়েত ও বাইরাইনে অবস্থিত আটটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছেন বলে রিপোর্ট করা হয়েছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক চ্যানেলে তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন; তারা রুখে দাঁড়ানোর বদলে উত্তেজনা হ্রাস ও আলোচনার পথ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন।




