সিলেটে সিম কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বেড়েছে। মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে আগামী ১৪ জুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ৩৫০ সংসদ সদস্যকে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সংগঠনগুলো।
সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় সিকস’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২০২৬ সালের ২১তম সাপ্তাহিক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সিম কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ইন্টারনেট ও কলরেট বাড়ানো, প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধি, মেয়াদ কমিয়ে দেওয়া এবং ‘শর্ত প্রযোজ্য’ লুকিয়ে গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত ঠকানো হচ্ছে। মেয়াদ উত্তীর্ণের অজুহাতে অব্যবহৃত এমবি, মিনিট বাজেয়াপ্ত করে অবৈধ মুনাফা লুটছে কোম্পানিগুলো। নতুন প্যাকেজ কিনলেও আগের ব্যালেন্স যোগ না করে একতরফা লাভবান হচ্ছে তারা।
এছাড়া গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই ওয়েলকাম টিউন, নিউজ অ্যালার্ট, গেমসসহ নানা অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস চাপিয়ে ব্যালেন্স কেটে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। বক্তারা বলেন, “১২ কোটি গ্রাহককে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে হবে।”
সভায় একইসঙ্গে সিলেট মহানগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবিতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চাওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রধান সড়কসহ প্রতিটি অলিগলির দোকানপাট বন্ধ রাখার দাবি জানানো হয়।
জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠক মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। আরও বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, চিত্ত রঞ্জন দাস, কবি কামাল আহমদ, মোঃ মহিবুর রহমান মুহিবসহ অনেকে।
সংগঠনের নেতারা বলেন, গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।বিজ্ঞপ্তি





