লাখাইয়ে সিএনজি থামিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

লাখাইয়ে সিএনজি থামিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেপ্তার - Surma Times | Sylhet News

লাখাইয়ে সিএনজি থামিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেপ্তার - Surma Times | Sylhet Newsহবিগঞ্জ, ১৩ আগস্ট: হবিগঞ্জের লাখাইয়ে অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সবুজ রঙের সিএনজি জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে লাখাই থানাধীন বুল্লা বাঁশবাজার এলাকার পাকা সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের লাখাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকা থেকে একটি সবুজ রঙের সিএনজিতে করে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে লাখাইয়ের দিকে যাচ্ছেন।

সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের দলটি দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে বুল্লা বাঁশবাজার এলাকায় সড়কের ওপর চেকপোস্ট স্থাপন করে। কিছুক্ষণ পর একটি সবুজ রঙের সিএনজিকে সংকেত দিয়ে থামানো হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সিএনজিতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা সিএনজিতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেখানো মতে, সিএনজির ভেতরে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তল্লাশি করে স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়ানো ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে গাঁজা ও সিএনজিসহ তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চারাভাঙ্গা গ্রামের মৃত উছন আলীর ছেলে মো. শাকিল মিয়া (২৩), একই উপজেলার বেঙ্গাডোবা গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে মো. সাব্বির মিয়া (২০) এবং কিশোরগঞ্জের তারাইল উপজেলার মাগুরি গ্রামের মো. মন্তু মিয়ার ছেলে মো. জয়নাল মিয়া (৩৮)।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা পরস্পর যোগসাজশে হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।

র‌্যাব-৯ আরও জানায়, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ও জব্দ করা আলামত লাখাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

★★★★★

সুরমা টাইমস পড়ে ভালো লাগলো?
আপনার মতামত জানান!

গুগলে রেটিং দিন রিভিউ লিখুন ⭐
Share This Article